মঙ্গলবার, ২৫ এপ্রিল, ২০১৭

সিলেটের ১৪৮ বছরের ঐতিহ্যবাহী মাদ্রাসার খতমে বুখারী অনুষ্টিত

সালমান বিন বিলাল ::
২৬/০৪/২০১৭ মঙ্গলবার সিলেটের ১৪৮ বছরের প্রাচীনতম ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্টান ‘জামেয়া ইসলামিয়া দারুল উলুম হেমু মাদ্রাসা ও হযরত আয়শা সিদ্দিক্বা রা: মহিলা মাদ্রাসা হেমু  হরিপুর বাজার
জৈন্তাপুর -এর সর্বোচ্চ স্তর তাকমীল ফিল হাদিসের অন্যতম কিতাব বোখারী শরীফের শেষ দরস তথা খতমে বুখারী অনুষ্টিত হয়। খতমে বুখারীতে পাঠ দান করেন শাইখুল হাদীস আল্লামা তাফাজ্জুল হক হবিগঞ্জী (দা:বা:)।

ওলীয়ে কামেল আল্লামা ঈদরিস আলী রহ: এর মেহনতের ফসল সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার ১৪৮ বছরের ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ‘জামেয়া ইসলামিয়া দারুল উলুম হেমু মাদ্রাসা ও হযরত আয়শা সিদ্দিক্বা রা: মহিলা মাদ্রাসা হেমু  হরিপুর বাজার জৈন্তাপুর সিলেট’-এর সর্বোচ্চ স্তর তাকমীল ফিল হাদিসের (মাষ্টার্স) অন্যতম কিতাব বোখারি শরীফের শেষ দরস উপলক্ষে জামেয়ার পক্ষ থেকে ২৫ এপ্রিল মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে মাদ্রাসা সংলগ্ন  মসজিদে খতমে বোখারি ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। ১৮৬৯ ইংরেজীতে যুগের শ্রেষ্ঠ বুজুর্গ ওলীয়ে কামেল আল্লামা ঈদ্রিস আলী (রহ:) প্রতিষ্ঠা করেন এই দ্বীনি বাগান, যে বাগান পৃথিবীর আনাচে কানাচে ছড়াচ্ছে এখনো অনুপম সৌরভ।
ওলীয়ে কামেল আল্লামা ঈদরিস আলী (রহ.) এর হাতে প্রতিষ্ঠিত অত্র জামেয়ার দাওরায়ে হাদীস (মাস্টার্স) হুজুরের অক্লান্ত পরিশ্রমে ফসল এই কাফেলা আজ ও বহমান আছে।

প্রতি বছরের ধারাবাহিকতায় এই বছরও খতমে বুখারী অনুষ্টিত হয়। আজ জোহরের পর আল্লামা তাফাজ্জুল হক হবিগঞ্জী হুজুরের আখেরি দরসের মাধ্যমে শেষ হয় বুখারী শরীফ সবক । উক্ত অনুষ্টানে সভাপতিত্ব করেন জামেয়ার মুহতামিম মুফতি জিল্লুর রহৃান ক্বাসিমী। এছাড়াও ছাত্রদের উদ্যেশ্যে গুরুত্বপুর্ণ নসিহত পেশ করেন জামেয়ার শাইখুল হাদিস আল্লামা আব্দুস সাত্তার সাহেন (দা:বা:)। খতমে বুখারীর শেষ দরস, ছাত্রদের উদ্যেশ্যে দিকনির্দেশনামুলক নছিহত ও মোনাজাত পরিচালনা করেন আল্লামা তাফাজ্জুল হক হবিগঞ্জী। মোনাজাতে
দেশ ও জাতির মঙ্গল ও শান্তি কামনায় মাধ্যমে দোয়া ও মাহফিলের সমাপ্তি করা হয়।

শনিবার, ২২ এপ্রিল, ২০১৭

লেলিনের শততম জন্ম বার্ষিকী সিলেটে লাল পতাকা মিছিল

হাফিজুল ইসলাম লস্কর :: লেলিনের শততম জন্ম বার্ষিকী উপলক্ষে সিলেটে লাল পতাকা মিছিল অনুষ্টিত হয়। এছাড়াও যথাযত মর্যাদায় নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে সিলেটে সমাজতান্ত্রিক রুশ বিপ্লবের মহানায়ক লেলিনের জন্ম দিবস পালিত হয়েছে।

সমাজতান্ত্রিক রুশ বিপ্লবের শততম বার্ষিকী উদযাপন কমিটির আয়োজনে ২২/০৪/২০১৭ শনিবার সকাল ১২টায়
সিলেট রেজিস্ট্রারী মাঠ থেকে লাল পতাকা মিছিলের মধ্য দিয়ে দিবসটির কার্যক্রম শুরু হয়। সিলেট রেজিস্ট্রারী মাঠ থেকে শুরু হয়ে মিছিলটি নগরীর জিন্দাবাজার রাস্তা প্রদক্ষিণ করে সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এসে শেষ হয়।

মিছিল শেষে শহীদ মিনারে স্থাপিত কমরেড লেলিনের অস্থায়ী পথিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পন করে তার প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবে উজ্জীবিত নেতা-কর্মীরা। পরে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে নেতৃবৃন্দ লেলিনের জীবনী নিয়ে বক্তব্য রাখেন।
সংক্ষিপ্ত সমাবেশে নেতৃবৃন্দ বলেন, আজ থেকে শত বর্ষপূর্বে মহামতি লেনিনের নেতৃত্বে দুনিয়ার বুকে প্রথম শ্রমজীবী মানুষের অনুকূলে একটি সামাজিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। রুশ বিপ্লব আজও পৃথিবীর সকল শ্রমজীবী মানুষের শোষণ মুক্তির সনদ হিসেবে ইতিহাসে চিরঞ্জীব হয়ে আছে। আজ সমগ্র বিশ্বের দেশে দেশে সাম্রাজ্যবাদী যে আগ্রাসন তার কবল থেকে মানব সভ্যতা তথা মানব মুক্তির জন্য রুশ বিপ্লবের শিক্ষাকে বুকে ধারন  করে মহামতি লেনিনের দেখিয়ে যাওয়া পথেই মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

এদিকে, লাল পতাকা মিছিলে অংশগ্রহণ করেন সিপিবি, জাসদ, বাসদ, ওয়ার্কার্স পাটি, গণতন্ত্রী পার্টি, ন্যাপ, সাম্যবাদী দল, সম্মিলিত নাট্যপরিষদ, উদীচী, যুব ইউনিয়ন, যুবমৈত্রী, নারী মুক্তি সংসদ, চারণ সংস্কৃতি কেন্দ্র, ছাত্র ইউনিয়ন, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট, ছাত্র মৈত্রী, জাতীয় যুব ঐক্য, খেলাঘর সহ বাম প্রগতিশীল রাজনৈতিক দল ও সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। লাল পতাকা মিছিলটি যখন রেজিস্ট্রারী মাঠ পার হয়ে নগরীর জিন্দাবাজার রাস্তা প্রদক্ষিণ করে সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে দিকে যাচ্ছিল তখন পুরো এরিয়াটি লাল পতাকা মিছিলে লাল বর্ণ ধারণ করেছিল।

লাল পতাকা মিছিল ও শহীদ মিনারে স্থাপিত কমরেড লেলিনের অস্থায়ী পথিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পন শেষে উদীচী ও চারণের পরিবেশনায় কমিউনিস্ট ইন্টারন্যাশনাল গাওয়ার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানমালার সমাপ্তি করা হয়।

বৃহস্পতিবার, ১৩ এপ্রিল, ২০১৭

"নবজীবনের নতূন দ্বার উন্মোচিত,,

আরাফাত হোসেন :: পৃথিবীর সর্বত্রই নববর্ষ একটি প্রচলিত সংস্কৃতিধারা, আদিকাল থেকেই যে কোন বছরের প্রথম দিনটি নববর্ষ নামে পরিচিত হয়ে আসছে। পহেলা বৈশাখ বাংলা সনের প্রথম দিন। এটি বাঙ্গালী জাতীর একটি সর্বজনীন লোক উৎসব। আনন্দঘন পরিবেশে বরণ করে নেওয়া হয় এ দিনটিকে, মূলত অতীতের ভুলত্রুটি ও ব্যর্থতায় গ্লানি ভুলে নতুন করে সুখ শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনার জন্য উযযাপিত হয় নববর্ষ। পহেলা বৈশাখে বাংলার জনসমষ্টি অতীতের সুখ-দু:খ ভুলে গিয়ে নতুনের আহবানে সাড়া দিয়ে ওঠে। তারা জানে এ নতুন অনিশ্চিতের সুনিশ্চিত সম্ভাবনাময়তায় পরিপুর্ণ। তাই মন সাড়া দেয়, নতুনকে গ্রহন করার প্রস্তুতি নেয়, আর সেদিন প্রাত্যহিক কাজকর্ম ছেড়ে দিয়ে ঘরবাড়ি ধুয়ে মুছে পরিষ্কার করে। আটপৌরে জামাকাপড় ছেড়ে ছেলেরা পরে পাঞ্জাবী, পায়জামা, পাগড়ী আর মেয়েরা পরে সাদা আর লাল পাঁড়েল শাড়ি। সেদিন তারা সাজে পুরোপুরি বাঙ্গালী মেয়ের মতো। তারা ঘুরতে যায় আত্বীয়স্বজন, বন্ধু-বান্ধবদের সাথে দেখা করে পানাহারে মেতে ওঠে। এ সময় নতুন সূর্যকে স্বাগত জানিয়ে কোনো উদ্যানে বা কোন লেকের ধারে নগরবাসীরা সমবেত হঁয়ে নববর্ষকে স্বাগত জানিয়ে শিল্পীরা সঙ্গীত পরিবেশন করেন। এদিন সকল শ্রেনীর এবং সকল বয়সের মানুষ ঐতিহ্যবাহী বাঙ্গালী পোশাক পরে মিলিত হয় বাংলা নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো। যেমন:- বাংলা একাডেমী, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমী, জাতীয় জাদুঘর, নজরুল একাডেমী প্রভৃতি বিভিন্ন কমর্সূচী গ্রহন করে থাকে। এছাড়াও এদেশের স্থানীয় কতগুলো অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বাংলা নববর্ষের  বৈশিষ্টসমূহ ফুটে ওঠে। যেমন; মেঘের কাছে জল করা "বার্ষিক মেলা বা বৈশাখী ভিক্ষা মেলা" হালখাতা ইত্যাদি। এই বিচিত্র আনন্দ অনুষ্ঠানে, কেনাবেচার বানিজ্যিক লেনদেনেও বৈশাখের প্রীতির স্পর্শ লাগে। এই পূন্য দিনেই শুরু হয় ব্যবসায়ীদের হালখাতার শুভ মহরৎ, প্রায় প্রতি বিক্রয় প্রতিষ্ঠানেই ক্রেতাদের মিষ্টান্ন সহযোগে আপ্যায়ন করা হয়, সর্বএই এক মধুর প্রীতিপূর্ণ পরিবেশ। এই নববর্ষ সমগ্র মানুষের কাছে নবজীবনের দ্বার উম্নোচিএ করে দিক। আসুন পহেলা বৈশাখকে সামনে রেখে আমরা আমাদের মধ্যকার সকল বিভেদ ও দ্বিধা দূর করতে সচেষ্ট হই। আমরা জাগ্রত হই এখন্ড জাতীয় চেতনায়, নতুন বছর আমাদের সবার জীবনে সুখ সম্ভার বয়ে আনুক এটাই হউক আমাদের প্রত্যাশা। সবাইকে নববর্ষের. শুভেচ্ছা।

শনিবার, ১ এপ্রিল, ২০১৭

সিলেটে ৩ হাজার হেক্টর কৃষি জমি পানির নিচে কৃষকের মাথায় হাত

হাফিজুল ইসলাম লস্কর :: সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলায় ৬টি ইউনিয়নে ৩ হাজার হেক্টর কৃষি জমি ৪দিন ধরে টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলে তলিয়ে গেছে কৃষকের উঠতি ফসলী জমি। ক্ষয়ক্ষতির পরিমান প্রায় কোটি টাকার মত। টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলে তলিয়ে যাওয়া উঠতি ফসলের মাঠ পরিদর্শন করেছেন উপজেলা চেয়ারম্যান।

জৈন্তাপুরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায় উপজেলার প্রায় ৩ হাজার হেক্টর জমিতে বিভিন্ন প্রজাতির উঠতি ফসলি জমির ধান, তরমুজ, কুমড়া সহ নানা প্রজাতির ফসলের ব্যাপক চাষাবাদ হয়। কৃষি অফিসের তত্তাবধান ছাড়া কৃষকরা নিয়মিত ভাবে ফসলাদী ফলিয়ে আসছে। সম্প্রতি গত ২৯ মার্চ হতে আগাম বৃষ্টি এবং পাহাড়ী ঢলে এসকল ফসলী জমি পানির নিচে তলিয়ে যাচ্ছে।

মার্চ মাসের শুরুর দিকে হঠাৎ বৃষ্টির ফলে কিছুটা ক্ষতি হলেও চলমান অতি বৃষ্টি এবং পাহাড়ী ঢলের কারনে উঠতি ফসলী জমি তলিয়ে যাচ্ছে। ফলে সাধারণ কৃষকরা সব কিছু হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়ার আশংঙ্কা দেখা দিয়েছে উপজেলা জুড়ে।

সরেজমিনে হাওরের কৃষকদের সাথে আলাপচারিতায় তিনি জানান- কেন্দ্রি মৌজায় প্রায় ১শত একর জমিতে সেচ পদ্ধতীর মাধ্যমে রোরো আমন বি আর -২৮ সহ বিভিন্ন প্রজাতীর শাকসব্জি চাষাবাঁধ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে শাকসব্জি বৃষ্টির পানিতে পচন ধরে গেছে। সম্প্রতি পাহাড়ী ঢলে এবং অতি বৃষ্টির ফলে সৃষ্ট বন্যায় ধানের চারা পানির মধ্যে তলিয়ে যায়। এতে সমুহ ফসলের ক্ষতির আশংঙ্কা কৃষকের মধ্যে বিরাজ করছে।

অপরদিকে জৈন্তাপুর ইউনিয়নের কৃষকেরা তাদের ক্ষতির সম্ভাবনার কথা জানান। এছাড়া নিজপাট ইউনিয়নের হর্ণি, বাইরাখেল, ফুলবাড়ী এলাকার কৃষক মনসুর আলম, পঙ্খী মিয়া, হোসেন আহমদ, ঘিলাতৈল গ্রামের পলাশ দাস, মনোরঞ্জন দাশ, নিখিল দাশ, খন্দকার আব্দুল মালেক, সুলেমান আহমদ, তলিয়ে যাওয়া জমির ফসলের কাছে বসে মাথায় হাত দিয়ে আর্তনাদ করতে দেখা যায়।

অন্যদিকে চারিকাটা ইউনিয়নের থুবাং, বালিদাঁড়া, সরুখেল দরবস্ত ইউনিয়েনের খলাগ্রাম, মহাইল, লামা মহাইল কাঞ্জর, সেনগ্রাম, মুটগুঞ্জা, গর্দনা, শুকইনপুর, ফতেহপুর ইউনিয়নের হেমু তিনপাড়া, দাউদপাড়া, বালিপাড়া, মাজরটুল, নয়াগ্রাম, হরিপুর, এবং চিকনাগুল ইউনিয়নের রামেশ্বর, কহাইগড়, ঘাটেরছটি এলকার নিম্নাঞ্চলের ফসলী জমি পাহাড়ী ঢলের নিচে তলিয়ে যাচ্ছে।

৩১মার্চ শুক্রবার উপজেলা চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন, জৈন্তাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ সুহেল মাহমুদ, ভাইস চেয়ারম্যান বশির উদ্দিন বৃষ্টিতে ভেজে উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের কৃষকদের সাথে কথা বলেন এবং ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদের সান্তনা দেন।

কৃষদের যে কোন পরিস্থিতিতে উপজেলা পরিষদের পক্ষ হতে সকল প্রকার সহযোগিতার আশ্বাসদেন। কৃষকরা জৈন্তাপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ ফারুক হোসাইন কৃষকদের সাথে কোন প্রকার সহযোগিতা ও সাক্ষাত দিচ্ছেন না বলে ক্ষুব্ধতায় তারা ফেটে পড়েন।

এবিষয়ে জৈন্তাপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ জয়নাল আবেদীন বলেন- প্রকৃতির উপর কাহারো হাত নেই। আমরা কৃষকের কছে ছুটে গিয়ে তাদের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলছি। আগামী দিনের যে কোন ধরনের পরিস্থিতিতে সরকারের সহযোগিতা নিয়ে কৃষকের মাঝে আমরা সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিবেন।

শুক্রবার, ২৪ মার্চ, ২০১৭

সিলেটে শিক্ষার্থীদের মাঝে শুদ্ধ সোশ্যাল অর্গানাইজেশন

আরাফাত হোসেন :: সিলেটের দক্ষিন সুরমা ডিগ্রী কলেজে সাড়ে তিনশো শিক্ষার্থীর বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় করেছে শুদ্ধ সোশ্যাল অর্গানাইজেশন।

রক্তদান হোক মানবতার শ্রেষ্ঠ উপহার এ প্রতিপদ্যকে সামনে নিয়ে সেচ্ছায় রক্তদানে উৎসাহিত করতে এবং স্বেচ্ছায় রক্তদাতা তৈরির লক্ষ্যে ক্যাম্পেইনের আয়োজন করা হয়।

বৃহস্পতিবার সকাল ৯ টায় আর্ক রিয়েল এস্টেট'র সহযোগিতায় এ ক্যাম্পেইন শুরু হয়ে চলে দুপুর পর্যন্ত। কর্মসূচীতে শিক্ষার্থীরা আনন্দমুখর পরিবেশে অংশগ্রহন করে নিজেদের রক্তের গ্রুপ জেনে নেন।

কর্মসূচীতে আশেপাশের অনেক সাধারণ মানুষকেও রক্তের গ্রুপ নির্ণয় করে দেয়া হয়। হিমেল আহমেদ এর পরিচালনায় কর্মসূচী উদ্বোধন করেন কলেজের অধ্যক্ষ মো. শামসুল ইসলাম ও আর্ক রিয়েল এস্টেট ক্যাম্পেইনের পরিচালক হেলাল আহমদ। এসময় তারা শিক্ষার্থীদের রক্তদানে উৎসাহিত করেন।

অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলা বিভাগের প্রভাষক খালেদ আহমদ, রসায়ন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শাহানা বেগম, দর্শন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মুহিবুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

শুদ্ধ সোশ্যাল অর্গানাইজেশন এর সদস্য এবং স্বেচ্ছাসেবকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন তানভীর ইসলাম, রাবেল আহমদ, কাওছার আহমদ, কাকলী, লুৎফা, নাজিউর, শুভ, হাবিব, মুন্না, সোমা, আারাফাত হোসেন, সারোয়ার, মনি, সুখী, আফছানা, সুজন, শাহরিয়ার, তানভীর, আশিকুর, রামিম, ফাহিম, ইমা, ভাস্কর, তামান্না, রূপা, রাসেল, ইকবাল প্রমুখ।

মঙ্গলবার, ২১ মার্চ, ২০১৭

জনমতের ৪২; ফেইথপ্রিন্ট পরিদর্শনে সংস্কৃতিমন্ত্রী

আরাফাত হোসেন :: পূর্ব লন্ডনের বিখ্যাত ডিজিটাল প্রেস, বাংলাদেশি কমিউনিটি নেতৃবৃন্দের মিলনস্থল এবং সাপ্তাহিক জনমতের শাখা অফিস ফেইথপ্রিন্ট পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর।

ফেইথ প্রিন্টে আসলে তাঁকে স্বাগত জানান সাপ্তাহিক জনমতের বার্তা সম্পাদক ও ফেইথের ডাইরেক্টর মোসলেহ উদ্দিন আহমদ। তিনি মাননীয় মন্ত্রীকে ‘জনমত : গৌরবের ৪২ বছর’ বইটি উপহার দেন।

সংস্কৃতি ব্যক্তিত্ব ও তুখোড় নাট্যভিনেতা আসাদুজ্জামান নূর ব্রিটেনের বাংলাদেশি কমিউনিটিতে দেশের খবর পৌঁছে দেয়ায় সাপ্তাহিক জনমতের অনন্য ভূমিকার প্রসংশা করেন।

ফেইথপ্রিন্টে বাংলাদেশি কমিউনিটির মানুষের সমাগম দেখে তিনি অভিভূত হন। মাননীয় মন্ত্রীর সাথে এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাজিদুর রহমান ফারুক, চ্যানেল এস- ইবরাহিম খলিল, রেজাউল করিম মৃধা, শাহ বেলাল, আমিনুল হক জিল্লু, আলতাফুর রহমান মিতা, অপু রায়, শায়েক সুমন, অলিউর রহমান ইয়াহইয়া প্রমুখ।

সোমবার, ২০ মার্চ, ২০১৭

খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির’ আওতায় ১০ টাকা কেজিদরে চাল বিতরণ

ইদু মিয়া দিরাই থেকে :: দরিদ্র ও হতদরিদ্রদের জন্য খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির’ আওতায় ৯ নং কুলঞ্জ ইউনিয়ন ১,২,৩,৫ নং ওয়ার্ড ১০ টাকা কেজিr চাল দরিদ্র পরিবারদেরকে বিতরন করা হয়।

১৮/০৩/২০১৭ শনিবার তারাপাশা মিলনগঞ্জ বাজার সংলগ্ন টংগর নাছিম খাঁনের রাইসমিলে দরিদ্র পরিবারের মাঝে দশটাকা কেজি দরের চাল বিতরন করা হয়।

শেখ হাসিনার বাংলাদেশ, ক্ষুধা হবে নিরুদ্দেশ’ শ্লোগানে নির্ধারিত কার্ডের মাধ্যমে ১০ টাকা কেজি দরে প্রতিমাসে ৩০ কেজি করে চাল পাবেন হতদরিদ্ররা।

পল্লী রেশনিং কার্ডধারীদের প্রতিবছর মার্চ, এপ্রিল, সেপ্টেম্বর, অক্টোবর ও নভেম্বর— এই পাঁচ মাস দেওয়া হবে এ খাদ্য সহায়তা।

উক্ত কার্যক্রমের উদ্ভোদন ডিলার নাছিম খাঁন ও  তদারক কর্মকর্তা রাড়ইল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জসীম উদ্দিন চৌধুরীর মাধ্যমে পরিচালিত হয়।

উক্ত ১০টাকার চাল বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট সমাজসেবী, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ দিরাই থানা আহবায়ক যুবলীগ নেতা মোঃ ইসমাইল খাঁন।

বিশেষ অতিথি ছিলেন কুলঞ্জ ইউনিয়নের কৃষকলীগের সভাপতি সৈয়দ আমির আলী, মোহাম্মদ আলী।

এছাড়াও আরো উপস্তিত ছিলেন অত্র এলাকার গন্যমান্য ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।