ইতিহাসের অনেক প্রখ্যাত জ্ঞানীগুণী ব্যাক্তির এই বাড়িতে আগমন ঘটেছে। এই বাড়ীটি সিলেট বিভাগের ঐতিহ্যেকে করেছে সমৃদ্ধ । সিলেটের ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক এই এহিয়া ভিলা রাষ্ট্রীয় স্মৃতির বাগান হিসাবে এই ভবন ব্যবহৃত হবে। এই ভবনে খান বাহাদুর এহিয়া জেনারেল হসপিটাল স্থাপন সত্যিই প্রশংসার দাবিদার। এ হাসপাতাল মানব সেবায় বিশেষ ভুমিকা রাখবে। পূর্ণাঙ্গ হাসপাতাল বাস্তবায়নে সকলের সহযোগিতার আহবান জানিয়ে এহিয়া ভিলাকে মিউজিয়াম হিসাবে ব্যবহার করার জন্য সকলের প্রতি আহবান জানান জাতি সংঘে বাংলাদেশের সাবেক স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত ড. একে আব্দুল মোমেন। তিনি (১৫ সেপ্টেম্বর) বৃহস্পতিবার এহিয়া ভিলা জিতু মিয়ার পয়েন্টস্থ খান বাহাদুর এহিয়া জেনারেল হসপিটালের শুভ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে সিলেটে বিভাগীয় কমিশনার জামাল উদ্দিন আহমদ বলেন, জনকল্যাণ মূলক কাজে অংশ গ্রহণ বৃদ্ধি। সেই লক্ষ্যে এই হাসপাতলটি স্থাপন করা হয়েছে। এর সুযোগ সুবিধা আশ পাশের লোকেরা বেশি ভোগ করবেন। জিতু মিয়া সাহেবের লক্ষ্য উদ্দেশ্যে বাস্তবায়নে সকলের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার জন্য আহবান জানান। খান বাহাদুর এহিয়া ওয়াকাফ এষ্টেট’র পক্ষ থেকে হবিগঞ্জের বানিয়াচং এলাকায় একটি কলেজ স্থাপনের উদ্যেগ নেয়ার হয়েছে। এতে মানব সেবায় দ্বার আরো উন্মুক্ত হবে। শুরুতে হাসপাতালের ফলক উন্মচন শেষে পবিত্র কোরাআন তেলাওয়াত করে মোনাজাত করেন হাফিজ রাজু আহমদ এবং ফলক উন্মচন শেষে আলোচনা সভার শুরুতে স্বাগত বক্তব্যে রাখেন খান বাহাদুর এহিয়া ওয়াকাফ এষ্টেট এর বিশেষ সহায়ক কমকর্তা শাহীদ মোবারক। সিলেট বিভাগীয় কমিশনারের ব্যাক্তিগত সহকারী মামনুর রশিদের পরিচালনায় বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্যে রাখেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মুণাল কান্তি দেব, সিলেটের ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক শহিদুল ইসলাম চৌধুরী। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন সিলেট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার শাহাদত হোসেন, ওয়াকাফ এষ্টেট’র ম্যানেজার আব্দুর রহমান, ডা. দেবাশীষ দাস সামান্ত, এবি ফার্মাসিটিকেলের পরিচালক (অর্থ) সৈয়দ মামুন আহমদওয়াকাফ এষ্টেট নায়েব ফয়েজ আহমদ, অফিস সহকারী রুহুল আমীন রুহেল, সহকারী তহসিল ধার এইচ এম আমির আলী প্রমুখ।
শুক্রবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৬
বুধবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৬
তিন উপজেলায় আড়াই লক্ষ মানুষের মৃর্ত্যু ঝুঁকি নিয়ে পাহাড়ের পাদঁদেশে বসবাস
সিলেটের গোলাপগঞ্জ, শ্রীমঙ্গল, নবীগঞ্জ উপজেলার প্রায় তিন লক্ষ মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পাহাড়ের পাঁদদেশে বসবাস করছে।গত দুদিনের বৃষ্টিতে কয়েকটি পাহাড় ধ্বসের ঘটনা ঘটলেও কোন প্রানহানি হয়নি। গত পাচঁ বছরে শ্রীমঙ্গল গোলাপগঞ্জ ও নবীগঞ্জের পাহাড়ি এলাকায় মাটি চাপা পড়ে দুটি পরিবারের ১২জন সহ অন্তত ৭০ জনের মূত্যু হয়েছে। লাগাতার মুষলধারে বৃষ্টি হলেই পাহাড় ধ্বসের ঘটনা শুরু হয়। সিলেটের এ তিনটি উপজেলার মাধ্যে হবিগঞ্জ ও শ্রীমঙ্গলে পাহাড় ধ্বসে মৃত্যুর ঝুঁকি একটু বেশী। নবীগঞ্জের দিনারপুর এলাকার পানিউন্দাতে একই পরিবারের ৬ জন ও শ্রীমঙ্গলের পাহাড়ে একই পরিবারের ৬ জনের মৃত্যু এখনো এলাকার মানুষের কাছে আতংকিত ঘটনা। এছাড়া বিচ্ছিন্ন ভাবে তিনটি উপজেলায় পাহাড় ধ্বসে প্রায় সত্তর জনের মৃত্যু হয়েছে। তবুও ছিন্নমুল ভুমিহীন মানুষেরা জীবন মৃর্ত্যুর ঝুঁকি নিয়েই বসবাস করছেন। এদের পূর্ণবাসনে সরকারী উদ্যোগ গ্রহন অতি প্রয়োজন বলে মনে করেন অভিজ্ঞ মহল। দিনারপুর এলাকার দেবপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান এড.মাসুম আহমদ জাবেদ বলেন, নবীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে সরকারী আইনকে বৃদ্বাঙ্গুলী দেখিয়ে পাহাড় ও টিলা কেটে উজার করছে প্রভাবশালীরা। গত এক যুগে দুটি উপজেলার হাজারের বেশী সরকারী ও ব্যক্তি মালিকানাধীন পাহাড় টিলা সম্পূর্ণ অথবা আংশিক কেটে সমান করা হয়েছে। ফলে এসব পাহাড় টিলা ধ্বসে মূত্যুর ঝুঁকি দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে ।
নবীগঞ্জ চেয়ারম্যান সমিতির সাবেক সভাপতি আ.ক.ম. ফখরুল ইসলাম বলেন, পাহাড় টিলা বেশীর ভাগই কাটা হয়েছে আবাসিক প্রকল্প, বানিজ্যিক মার্কেট কিংবা ব্যক্তিগত ঘরবাড়ি তৈরী-মাটি ভরাটের জন্য। ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক নির্মান কাজ শুরু হলে নবীগঞ্জের দিনারপুর অঞ্চলের পাহাড় কেটে উজার করে মাটি নেয়া হয়। এসব পাহাড় টিলা কাটাঁর ফলে দ্রুত প্রাকৃতিক বিপর্যয় ঘটছে। বিলীন হচ্ছে জীব-বৈচিত্র ও পরিবর্তন হচ্ছে ভূমি মাপের। এছাড়া পাহাড় টিলা কেটে পাদঁদেশে নির্মান করা হচ্ছে ঝুকিপূর্ণ বাড়ি-ঘর। ফলে বর্ষা মৌসুমে পাহাড় ধ্বসে ঘটছে প্রাণ হানী। ২০১০ সালে নবীগঞ্জের দিনারপুর পাহাড়ি এলাকায় মাটি চাপা পড়ে মর্মান্তিকভাবে একই পরিবারের ৬জন এবং মহা সড়কে মাটি নেয়ার সময় পাহাড় ধসে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়। এক শ্রেণীর অসাধু কর্মকর্তা কর্মচারীদের সহায়তায় স্থানীয় প্রভাবশালী লোকজন এবং রাজনৈতিক দলের নেতারা ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট করে এসব পাহাড় টিলা কেটেঁ মাটি বিক্রি করে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হচ্ছে। এমনকি সরকারী রাস্তা-ঘাট নির্মানে ব্যবহার করা হচ্ছে পাহাড়ী টিলার মাটি ও বালু।
সূত্র জানায়,সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিরবতার সুযোগে রাজনৈতিক দলের মদদপুষ্ট লোকজন নির্বিচারে পাহাড় টিলা কেটে সমতল ভূমিতে পরিনত করছে। অনেক ক্ষেত্রে অপরাধীরা সরকারী বা শীর্ষ স্থানীয় রাজনৈতিক দলের সাথে সরাসরি জড়িত থাকায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নীরবতা পালন করে। আবার মাঝে মধ্যে প্রশাসন অভিযান চালিয়ে টিলার মাটি কাটায় জড়িত ব্যক্তি ও পরিবহন আটক করলেও রাজনৈতিক চাপে অথবা উৎকোচের বিনিময়ে ছেড়ে দেয়। এদিকে জমির দামের উর্ধ্ব গতিতে অনেকেই প্রলুদ্ধ করছে ব্যক্তি মালিকানাধীন পাহাড় টিলা কেটে সমান করে বিক্রি করতে। হাউজিং ব্যবসা ও বানিজ্যিক মার্কেট পাহাড় টিলার মাটি ব্যবহার করা হচ্ছে। পাহাড় টিলা নিধনের প্রতিবাদে এখন পর্যন্ত নবীগঞ্জে কিংবা গোলাপগঞ্জে বড় ধরনের কোন আন্দোলন হয়নি। আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী মাঝে মধ্যে ট্রাক ও শ্রমিকদের আটক করলেও পাহাড় কাটা বন্ধ হচ্ছে না। কিন্তু আসল অপরাধীরা থেকে যাচ্ছে ধরা ছোয়ার বাইরে। এর ফলে নবীগঞ্জ, গোলাপগঞ্জ ও শ্রীমঙ্গল উপজেলার পরিবেশ পরিস্থিতি এখন হুমকির মূখে। পরিবেশ বিপর্যয় ঠেকাতে নবীগঞ্জের দিনারপুর এলাকার শত শত পাহাড় টিলা রক্ষায় প্রশাসনকে এগিয়ে আসতে হবে। সরেজমিনে তিন উপজেলার বিভিন্ন পাহাড়ি এলাকা ঘুরে জানা যায়, উপজেলাগুলোর পাহাড়ী মাটি ট্রাক প্রতি ৭০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে আর নবীগঞ্জের দিনারপুর এলাকার পাহাড়ি মাটি ট্রাক ৬০ টাকায় বিক্রি করা হয়েছে। কান্দিগাঁও গ্রামের নুর উল্লাহ জানান বিশ্ব রোড নির্মানের সময় ৪০ হাজার টাকায় তার বাড়ির দুটি বিশাল পাহাড় বিক্রি করেন। ঐ পাহাড় দুটি ছিল ঐ এলাকা উচু টিলা। সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান শাহ নেওয়াজ বলেন আমাদের এলাকার শতাধিক পাহাড় ও টিলা কেটে উজার করা হয়েছে। এসব টিলা ও পাহাড়ের মাটি পানির ধরে বিক্রি করা হয়েছে। সঠিক মূল্য পাননি মালিকগন। নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাজিনা সরওয়ার বলেন, এব্যাপারে অভিযোগের বিত্তিতে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে। নবীগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জীতেন্দ্র কুমার নাথ বলেন আমরা অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নিবো।
মঙ্গলবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৬
রাণাপিং আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় : একটি স্বপ্নের বাস্তবায়ন
রিয়াজ উদ্দীন
১৯৮১ সালের ১ সেপ্টেম্বর আমি চৌঘরী গোয়াসপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান করি । তখন বিদ্যালয়ের অবস্থা বড়ই করুন । পাঁচ জন শিক্ষকের স্থলে আমিসহ মাত্র তিন জন শিক্ষক কর্মরত । তাও দু-জন নন মেট্রিক এবং অন্যজন অতি বৃদ্ধ । এ পরিস্থিতিতে ভাল ভাবে শিক্ষা দান সম্ভব ছিল না বিধায় কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে শিক্ষক সংখ্যা বাড়াবার অনেক চেষ্টা করি, কিন্তু ব্যর্থ হই। পরে নিরুপায় হয়ে তখনকার ম্যানেজিং কমিটির সদস্য জনাব কুতুব উদ্দীন আহমদ, মক্রম আলী, সিরাজ উদ্দীন, হাজী আব্দুল মনাফ, আরব আলী, জিয়া উদ্দীন, ও জনাব সোনাওর আলী মহোদয়সহ এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়ে একটি পরামর্শ সভা আয়োজন করি । সভায় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী স্কুলের শিক্ষার মান্নোয়নের জন্য অত্র এলাকার তিনজন শিক্ষানুরাগী ( তখনকার কলেজ ছাত্র) ফারুক আহমদ, হোসেন আহমদ ও ছাদিক আহমদকে অবৈতনিকভাবে স্কুলে শিক্ষাদানের আহবান জানাই । তারাও আমাদের প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়ে বিষয়টিকে একটি চ্যালেঞ্জ হিসেবে গ্রহন করে শিক্ষাদানে সর্বশক্তি নিয়োগ করেন। আমার বলতে দ্বিধা নেই যে, আমাদের সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় স্কুলের সার্বিক উন্নতি ঘটে যার ফলে স্কুলের দু জন ছাত্রী মনোয়ারা বেগম ও আফিয়া বেগম পর পর দু'বছর সরকারী বৃত্তি লাভ করে। এমন কি সেই সময় রমজান মাসেও তারা, তৃতীয় শ্রেণী থেকে পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত ছাত্রছাত্রীদেরকে নিয়ে বিশেষ কোচিং এর ব্যবস্থা করেন, যা এলাকায় উদ্দীপনার সৃষ্টি করে । তখন অভিভাবকগন তাদের এহেন উদ্যোগে খুশি হয়ে ইফতারীর জন্য যে সম্মানী দিয়েছিলেন, সেই সম্মানী দিয়ে তারা স্কুলের জন্য একটি হাতল চেয়ার ও স্কুল ঘরের ভিতরের ছাদ নির্মাণ করে দেন । তাদের এ সকল কার্যক্রম সে সময় আমাকে দারুন ভাবে প্রভাবিত করে । এরা তখন কীভাবে এলাকার উন্নয়ন হয়, কীভাবে এলাকাবাসিদেরকে একত্রিত করে বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করা যায়, এ নিয়ে আমার সাথে আলাপ-আলোচনা করতেন। তখন আমাদের সমমনা আরেকজন বন্ধু জোটেন । তিনি হলেন লন্ডন প্রবাসী জনাব আব্দুল খালিক।
১৯৮৩ সালে আমরা ইউনিয়ন ভিত্তিক বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করি । দুই দিন ব্যাপী এই প্রতিযোগিতার সমাপনী দিনের চা-চক্রে এলাকাবাসী অন্যান্য গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের কাছে আমরা পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে এলাকায় একটি পোষ্ট অফিস ও একটি হাই স্কুল প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব উত্থাপন করি । সবাই এতে একমত পোষণ করে আমাকে একটি সভা আহবানের পরামর্শ দেন। এক সময় পোষ্ট অফিস স্থাপনের কাজ বেশ এগিয়ে যায় কিন্তু নানা কারণে শেষ পর্যন্ত তা ব্যর্থ হয়। ১৯৮৫ সালে আমরা হাই স্কুল প্রতিষ্ঠার জন্য উদ্যোগী হয়ে একটি সভা আহবান করি । সভায় এলাবাসি প্রাইমারী স্কুলের সম্মুখস্থ জায়গাটি স্কুলের জন্য পছন্দ করেন। কিন্তু অনেক চেষ্টার পরও জমির মালিককে জমি দানে রাজী করানো সম্ভব হয়নি। এমনকি হাজী আব্দুল মনাফ উল্লিখিত জমির পরিবর্তে অন্য জমি (অন্য যে জায়গায় তার জমি আছে সেখান থেকে) দেওয়ার প্রস্তাব দিলেও আমাদের কাঙক্ষিত জমিটি পাওয়া যায়নি। পরে কালিদাস পাড়া, রায়গড়, ইত্যাদি স্থানে স্কুল প্রতিষ্ঠার জন্য উদ্যোগ নিয়ে বেশ কিছু সভা আহবান করা হয়। এক সময় 'রায়গড় দ্বিতীয় সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের' পাশে একটি উচ্চ বিদ্যালয় স্থাপন প্রায় নিশ্চিত হয়ে যায়। কিন্তু সভার শেষ বক্তা ফারুক আহমদের যুক্তিনিষ্ঠ বক্তব্যকে কেন্দ্র করে শেষ পর্যন্ত তাও হয়নি।
১৯৮৬ সালের ডিসেম্বর মাসে আমি প্রবাসী আব্দুল খালিক, ফারুক আহমদ, হুসেন আহমদ ও ছাদিক আহমদ এই পাঁচজন মিলে একটি সভা আহবান করে এই মর্মে সিদ্ধান্ত নেই যে, যা হবার হবে ১৯৮৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে আমরা চৌঘরী গোয়াসপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়েই ৬ষ্ঠ ও ৭ম শ্রেণী চালু করবো। এ সিদ্ধান্ত মোতাবেক ডিসেম্বর মাসের শেষ দিন প্রাইমারী স্কুলের রেজাল্ট ঘোষণার সাথে সাথে একটি সভা আয়োজন করি। এতে ২৮ জন অভিভাবক ও এলাকাবাসি উপস্থিত ছিলেন। সভায় কর্তৃপক্ষের সাথে পরামর্শক্রমে প্রাইমারী স্কুলের নির্মানাধীন আইডিএ কক্ষ-সংলগ্ন স্থানে কাঁচাঘর তৈরী করে এবং সাময়িকভাবে অফিস কক্ষ ও আইডিএ কক্ষে ক্লাস চালু করা যায় কি না এ বিষয়ে আমাকে দায়িত্ব দেয়া হয়। সাথে সাথে ১৯৮৭ এর ১ জানুয়ারি থেকে ৬ষ্ঠ ও ৭ম শ্রেণীতে ছাত্রছাত্রী ভর্তির জন্য অভিভাবকদের সাথে যোগাযোগ ও ক্লাস চালু করার জন্য ফারুক আহমদ, হুসেন আহমদ ও ছাদিক আহমদ প্রানপণ প্রচেষ্টা চালান। এ সময় আমাদের সহযোগি ও পরামর্শদাতা হিসেবে বিশেষভাবে সহযোগিতা করেন লন্ডন প্রবাসী আব্দুল খালিক, আব্দুল ওদুদ, মাখন মিয়া, জিয়া উদ্দীন, ইসমাইল আলী, হাজী আব্দুল মনাফ, মাওলানা সামসুদ্দীনসহ আরও অনেকে । এছাড়া সভাগুলোকে সাফল্যমন্ডিত করে স্কুলে ছাত্রছাত্রীদেরকে ভর্তি হতে অনুপ্রাণিত করা অর্থা যেখানে যা প্রয়োজন তা করতে বিশেষভাবে ভুমিকা পালন করেন আব্দুল হেকিম, শওকত আলী, মাশুক উদ্দীন, আবুল কালাম ও চুনু মিয়া (দরজী) সহ আরও অনেকে। আমাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী ২ জানুয়ারী আমি প্রাইমারী স্কুলে ৬ষ্ঠ ও ৭ম শ্রেণী খোলার অনুমতি লাভ করি এবং আগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ছাত্রছাত্রী ভর্তি করতে থাকি ।এই সময় প্রবাসী আব্দুল খালিক (লন্ডনী) একখন্ড ভূমিদানের প্রতিশ্রুতি প্রদান করলে আমাদের এই উদ্যোগ আরও বেগবান হয়। তখন একটি কাঁচাঘর নির্মানের জন্য হুসেন আহমদ দুই বান্দ টিন, মাখন মিয়া এক বান্দ টিন ও তজম্মুল আলী (তুতা মিয়া) দুই বান্দ টিন দান করেন। এছাড়া আব্দুল ওদুদ স্কুলের জন্য খাতাপত্র ও ব্যানারের কাপড় এবং হুসেন আহমদ ব্যানারটি লিখিয়ে দেবার দায়িত্ব নেন। তখন স্কুলের নাম (দেওয়া হয় ) ছিল 'রাণাপিং উচ্চ বিদ্যালয়'। সে সময়কার সভাগুলো হাজী আব্দুল মনাফ, আব্দুল খালিক ও হাজী নিসার আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। স্কুল প্রতিষ্ঠার ধ্বনি জোরেসুরে এলাকাময় ছড়িয়ে দেন উক্ত ব্যক্তিবর্গের সাথে আলা উদ্দীন, মাওলানা শওকত আলী, জয়াইদ আলী,হাজী ময়না মিয়া ও আব্দুল খালিক প্রমুখ। বলা যায়, তখন গোলাপগঞ্জ বাজারে অবস্থিত আব্দুল ওদুদের টেইলারিং শপটি এতদসংক্রান্ত একটি সভা কক্ষে পরিণত হয়েছিল। (রানাপিং আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় : স্মারক ২০০৬ থেকে সংগৃহীত) চলবে
সোমবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৬
জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছে সিলেট, দীর্ঘ ২৩ কিলোমিটার জুড়ে মানববন্ধন
জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছে সিলেট,ঘৃনার বহিপ্রকাশে করেছে স্বরনকালের দীর্ঘ ২৩ কিলোমিটার জুড়ে মানববন্ধন, সিলেটের সর্বস্থরের মানুষ ধারাবাহিকভাবে সন্ত্রাস ও জঙ্গিদের বিরুদ্ধে তাদের ঘৃনা ও ধিক্কার প্রকাশ করছে, তারই অংশ হিসেবে সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়কে মুহিবুর রহমান মানিক এম পির আহবানে সাড়া দিয়ে স্বরণকারের দীর্ঘ ২৩ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে জঙ্গিবাদবিরোধী মানববন্ধন কর্মসূচি । ছাতকের গোবিন্দগঞ্জ থেকে বড়কাপন এলাকা পর্যন্ত পালিত কর্মসূচিতে ৭৩টি উচ্চ বিদ্যালয় ও আলীয়া মাদ্রাসা, দুটি অনার্স কলেজ, দুটি ডিগ্রি কলেজ ও ৫১টি কওমি মাদ্রাসার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক, ব্যবসায়ী, রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মী, শ্রমিক সহ পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ অংশ নেন।
সকাল ১১ টা থেকে ১২ পর্যন্ত মানববন্ধন কর্মসূচি পালন শেষে গোবিন্দগঞ্জ ব্রিজের দক্ষিণ অংশে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে সংসদ সদস্য মুহিবুর রহমান মানিক বলেন, মুক্তিযোদ্ধের ৫ নম্বর সেক্টরের হেড কোয়ার্টার ছাতকের প্রতিটি মানুষ দেশদ্রোহী ও জঙ্গি সন্ত্রাসীদের প্রত্যাখ্যান করেছেন। স্বাধীনতার পর থেকে মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের শক্তি হিসেবে ছাতক-দোয়ারার মানুষ নিজেদের বার বার প্রমাণিত করেছেন। বঙ্গবন্ধু আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে যেভাবে গ্রামগঞ্জের মানুষ মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহন করেছেন, সেভাবে আজও জঙ্গি-সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমে এসেছেন।
তিনি বলেন, ছাতক দোয়ারার মানুষ জানে যতদিন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকবে, ততদিন উন্নয়ন ও শান্তির জন্য চিন্তা করতে হবে না। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে তারা আমাকে যে-ভাবে বার বার সংসদে পাঠিয়েছেন, ঠিক সেভাবে দুই উপজেলা চেয়ারম্যানকেও আওয়ামী লীগ থেকে নির্বাচিত করেছেন। ছাতক-দোয়ারায় যতক্ষন পর্যন্ত একজন মানুষও মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষে থাকবে ততক্ষণ পর্যন্ত জঙ্গি-সন্ত্রাসীদের স্থান হবে না।
মানববন্ধন ও পথসভায় উপস্থিত ছিলেন সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক শেখ রফিকুল ইসলাম, পুলিশ সুপার হারুন অর রশিদ, দোয়ারাবাজার উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যাপক ইদ্রিস আলী বীরপ্রতীক, ছাতক উপজেলা চেয়ারম্যান অলিউর রহমান চৌধুরী বকুল, ভাইস চেয়ারম্যান আবু সাদাত মো লাহিন, দোয়ারাবাজার উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান সালেহা বেগম মীনা। এছাড়া ছাতক উপজেলার সকল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানবৃন্দ, আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, ছাত্রলীগসহ সকল অঙ্গ ও সংযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, আলেম উলামা এবং প্রগতিশীল রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
রবিবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৬
বিদ্যুতের খুঁটিতে মৃতদেহের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় তোলপাড়
সোশ্যাল মিডিয়ায় বিদ্যুতের খুঁটিতে আনিছের মৃতদেহের ছবি নিয়ে চলছে তোলপাড় ও নিন্দার ঝড় গত ২৯/৮/২০১৬ সোমবার বিকেল সোয়া ৪ টায় ট্রান্সমিটার পরিবর্তন করতে গিয়ে বাজারের মেইন লাইনে বিদুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যান পল্লী বিদ্যুতের শ্রমিক মো: আনিছুর রহমান (৩৫) বিদ্যুতের খুঁটিতে তার মৃতদেহের ছবি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় তোলপাড় চলছে।প্রতিটি হৃদয়বান মানুষ সহানুভূতি-সহমর্মিতা প্রদর্শন করে ফেসবুকে পোষ্ট করেছেন অসংখ্য অগণিত পোষ্ট স্ট্রেটাস। গত ১বছর থেকে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে লাইনম্যানের দায়িত্বে ছিলেন তিনি। নিষ্টা, সততা, উদারতা দিয়ে কাজের মাধ্যমে মানুষের মন জয় করেছেন। তাঁর হৃদয়বিদারক মৃত্যুতে কেদেঁছেন এলাকাবাসী। অন্য বিভাগের কোনো মানুষের জন্যে এতো কান্না ও ভালোবাসা খুবই কম দেখা যায়।
নিয়মানুযায়ী ট্রান্সমিটার মিটার পরিবর্তন করার আগেই বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে হয়। নিশ্চিত হয়ে কাজ শুরু করতে হয়। কিন্তু সে নিয়ম মানা হয়নি। কালিগঞ্জ অভিযোগ কেন্দ্রের নজরুল ইসলাম নীচে থেকে খুঁটিতে উঠার জন্য রড দিয়েছিলেন আনিছের হাতে। ঐ সময়েই কসকনকপুরে অবস্থিত সাব স্টেশনে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার কথা থাকলেও সেখানে দায়িত্যরত বিপ্লব ও জহির নিজেদের মধ্যে খোশগল্পে ব্যস্ত ছিল। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, খুঁটিতে উঠার পর লাইনে হাত দেওয়ার পর পরই হাত ও পায়ে প্রচন্ড আঘাত পান আনিছ। চিৎকার দিলে উপস্থিত শত শত মানুষ ভির করেন। কিন্তু অনেক নীচে থেকে কারো কিছুই করার ছিল না।
সোমবার গভীর রাতে সিলেট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ১ এর কার্যালয়ে প্রথম জানাযা শেষে স্বজনদের হাতে আনিছুর রহমানের মৃতদেহ তুলে দেওয়া হয়। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জানাযা শেষে বি-বাড়িয়া জেলার, বাঞ্চারামপুর উপজেলার, ফরধাবাদ গ্রামে জানাযা শেষে পারিবারিক গোরস্থানে দাফন সম্পন্ন করা হয়।
আনিছুর রহমানের ব্যাপারে সিলেট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ১ এর জিএম মাহবুবুল আলম সাংবাদিকদের বলেন, আমাদের বিধি অনুযায়ী নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার সুযোগ নেই। ভূলের কারণে আহত হলেও প্রাণহানি হওয়ার সম্ভাবনা নেই। এ ক্ষেত্রে উভয়ের অবহেলা ছিল বলে মনে হয়। দু’টি তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। তাদের রিপোর্টের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কালিগঞ্জ শাখার ইনচার্জ নজরুল ইসলামের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি লাইন কেটে দিয়া ফোন বন্ধ করে দেন।
শনিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৬
জামেয়া দারুল উলুম সিলেটের জঙ্গিবাদ বিরোধী মানব বন্ধন-সমাবেশ
সিলেটের প্রান কেন্দ্রে অবস্তিত প্রসিদ্ধ দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্টান জামেয়া দারুল উলুমের সিলেটের উদ্দ্যোগে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ বিরোধী মানব বন্ধন কর্মসুচী আজ পালিত হয়েছে । শনিবার সকাল ১০ টা থেকে দুপুর ১১-৩০মিনিট পর্যন্ত এই কর্মসুচী পালন করা হয়। দারুল উলুম মাদ্রাসার শিক্ষক ও ছাত্ররা বসুন্ধরা ১ নং সড়ক জুড়ে এ মানব বন্ধন কর্মসুচি পালন করে । সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও নাশকতা বিরোধী বিশাল মানব বন্ধন পূর্ববর্তী সমাবেশে বক্তারা বলেছেন, বিশ্বব্যাপী সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ আজ আতঙ্কে পরিণত হয়েছে। আই এস ও জে এম বি একটি ভয়ংকর ঘৃন্নিত নাম, তথাকথিত মনগড়া ইসলাম প্রতিষ্ঠার নামে ইসরাঈল ইহুদীদের দোসররা আজ ইসলামকে বিশ্ববাসীর কাছে নিকৃষ্টতম ধর্মরূপে উপস্থাপন করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। এরা ইসলামের নাম নিয়ে ইসলামকে কলঙ্কিত করার এক সুগভীর ষড়যন্ত্রে নেমেছে। মুসলিম বিশ্বের শান্ত মানচিত্রকে অশান্ত ভূমিতে পরিণত করে তাদের রাজনৈতিক আদিপত্য বিস্তার করতে চায়। তাদের হিংস্র থাবায় আমাদের প্রিয় মাতৃভূমিকে ক্ষত বিক্ষত করে তুলছে, চেয়েছিল ইসলাম মুসলমানদের প্রাণ কেন্দ্র ক্বওমী মাদ্রাসা সমূহের গায়ে কালিমা লেপন করতে। তাদের সেই দূরভিসন্ধি কাজে আসেনি। জঙ্গিরা বের হচ্ছে স্কলাষ্টিকা নামক তথাকথিত আধুনিক শিক্ষাগার থেকে। এজন্য আমাদের সন্তানদেরকে দ্বীনি শিক্ষায় শিক্ষিত করে তুলতে হবে। বক্তারা ইসরাঈলী-ইহুদিবাদী এই ষড়যন্ত্র থেকে মুসলমানদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। আজ ৩/৯/২০১৬ মাদারিসে কওমিয়ার অন্যতম কওমী দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্টান জামেয়া দারুল উলুম সিলেটের উদ্যোগে সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ বিরোধী মানব বন্ধন পূর্ব সমাবেশে বক্তারা এসব কথা বলেন। মানব বন্ধন ও সমাবেশে মাদ্রাসা প্রিন্সিপাল আলহাজ্জ আব্দুল মালিক চৌধুরী সভাপতিত্বে,মাওলানা বেলাল আহমদ চৌধুরীর পরিচালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন শামীমাবাদ মাদ্রাসার মুহতামীম হাফেজ মাওলানা সৈয়দ শামীম আহমদ,বসুন্ধরা সমাজ কল্যান সংস্থার সাধারন সম্পাদক ও বিশিষ্ট আইনজীবি এড,মুমিনুর ইসলাম মুমিন,জামেয়া আমিনিয়া মুংলিপাড় মাদ্রাসার মুহতামীম বিশিষ্ট রাজনিতিবীদ মাওলানা মাহমুদুর হাসান,জৈন্তা উন্নয়ন সংগ্রাম পরিষদের চেয়ারম্যান বিশিষ্ট সমাজসেবি আলহাজ্জ মাওলানা শরীফ উদ্দীন,বিশিষ্ট আলেমেদ্বীন মাওলানা আনোয়ারুল ইসলাম,বিশিষ্ট সাংবাদিক সিলেট রিপোর্ট নিউজ পোর্টালের সম্পাদক রুহুল আমীন নগরী,মাদ্রাসার নায়েবে মুহতামীম মাও,সৈয়দ শোয়াইব আহমদ,মাওলানা নাজমুল ইসলাম,মাদ্রাসার মুদাররিস ও ইউনানী কন্ঠের নির্বাহী সম্পাদক হাফেজ মাও.হাফিজুল ইসলাম লস্কর,মাদ্রাসার শিক্ষক ও সাংবাদিক হাফেজ মাওলানা আব্দুল হাই,মাদ্রাসার মুদাররিস ও বিশিষ্ট মুফাসসিরে ক্বোরআন সালমান আহমদ আফতাবী,মাও.আশরাফুল ইসলাম,
মাওলানা মো: মুজিবুর রহমান,
মাও.কামরুল ইসলাম প্রমুখ