বুধবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২৬

ভালোবাসার ফ্রেম-হাফিজুল ইসলাম লস্কর


গোলাপ জবা বকুল নয়, আঙুলে
সিরিঞ্জ বিঁধে আছে,
নীল ক্যানুলার মুখে এসে সব
ভালোবাসা থেমে গেছে।

চামড়া ছুঁয়ে ব্যথা নামে ঠিকই, কিন্তু
হৃদয়ে নামে আশ্বাস,
তুমি আছো পাশে এই তো আমার
পরম এক বিশ্বাস।

​ওটা কি শুধুই ওষুধ, নাকি
ধমনীতে মেশা টান?
শিরায় শিরায় বইছে তোমার
এক জীবনের দান।

প্রতিটি ফোঁটায় মিশে আছে
নিভৃত সেই প্রেম,
অসুস্থতায় মাঝেও গড়ে তোলা
ভালোবাসার ফ্রেম।

​স্বামী-স্ত্রীর এই পবিত্র বন্ধন
নিঝুম প্রেমে গম্ভীর,
সবচেয়ে বড় প্রেম তোমার জন্য
আমার পৃথিবী অস্থির।

.

ই কবিতাটি ২১ জানুয়ারী ২০২৬ রাতে লিখেছি।

.
​আমার প্রিয় ভাই তাহসিন আহমদ বাবর-এর প্রিয়তমা স্ত্রীর অসুস্থতা তার প্রেমাসক্ত হৃদয়কে বিচলিত করেছে। ভাইয়ের ফেসবুক স্ট্যাটাসে ফুটে ওঠা সেই অব্যক্ত ভালোবাসা আর ব্যাকুলতাকে কাব্যিক রূপ দেওয়ার একটি ক্ষুদ্র চেষ্টা।

বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬

জাতীয়তাবাদী ওলামাদল সিলেট জেলার পথচলা: আমার কিছু স্মৃতি ও সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা





​সূচনা ও যাত্রা শুরু (২০০৬ঃ-
২০০৬ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ওলামাদল সিলেট জেলার তৎকালীন সংগ্রামী সভাপতি হাফেজ মাওলানা সোলেমান আহমদ নোমান ভাইয়ের সাথে সাক্ষাত করে গোলাপগঞ্জ উপজেলায় ওলামাদল ও মাদ্রাসা ছাত্রদের সমন্বয়ে একটি শক্তিশালী কমিটি গঠনের ইচ্ছা প্রকাশ করি আমরা কয়েকজন তরুণ আলেম। তিনি আমাদের আগ্রহ দেখে অত্যন্ত আনন্দিত হন এবং সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে বলেন, "তোমরা এগিয়ে যাও, আমি তোমাদের পাশে আছি।"

​গোলাপগঞ্জ উপজেলা কমিটি গঠনঃ-
তারই দিকনির্দেশনায় আমি এবং ক্বারি মাওলানা নুরুল রহমান কদর, মাওলানা আব্দুল কাদির, মাওলানা বিলাল আহমেদ, হাফেজ মাহমুদ কলিসহ কয়েকজন তরুণ আলেম ও মাদ্রাসার ছাত্র মিলে 'জাতীয়তাবাদী ওলামাদল গোলাপগঞ্জ উপজেলা' কমিটি গঠন করি। জেলা সভাপতি সোলেমান আহমদ নোমান ভাই উক্ত কমিটি অনুমোদন করেন।


​শহীদ জিয়ার আদর্শ ও এম সাইফুর রহমানের সান্নিধ্যঃ- কমিটি অনুমোদনের পর নোমান ভাই আমাদের নিয়ে তৎকালীন সফল অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমান মহোদয়ের নিকট যান। তিনি আমাদের কার্যক্রমের কথা শুনে অত্যন্ত উৎসাহ দেন এবং দেশ ও গণমানুষের কল্যাণে কাজ করার নির্দেশ প্রদান করেন। সেই সময়ের স্মৃতি আজও আমাকে অনুপ্রাণিত করে।

​জেলা ও মহানগর পর্যায়ে সাংগঠনিক দায়িত্বঃ-
​সিলেট জেলা কমিটিঃ- উপজেলা কমিটির মেয়াদ চলাকালীন আমার সাংগঠনিক তৎপরতা দেখে আমাকে সিলেট জেলা ওলামাদলের সদস্য মনোনীত করা হয়। পরবর্তীতে ২০১৬ সালে গঠিত সিলেট জেলা কমিটিতে আমাকে সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়। তবে অনিবার্য কারণে কিছুদিন পরই সেই কমিটি বিলুপ্ত করা হয়।

​সিলেট মহানগর কমিটি (২০১৭): গনতান্ত্রিক রাজনীতির কঠিন সময়ে ২০১৭ সালে সিলেট মহানগর ওলামাদলের সাধারণ সম্পাদক আমার সাথে যোগাযোগ করেন। তৎকালীন আওয়ামী সরকারের রক্তচক্ষু ও দমন-পীড়ন উপেক্ষা করে দলীয় স্বার্থে আমি মহানগর কমিটিতে কাজ করতে রাজি হই। এরপর মাওলানা মঈন উদ্দিন ফয়েজকে সভাপতি, মাওলানা মাশহুদ আহমদকে সাধারণ সম্পাদক এবং আমাকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে সিলেট মহানগর ওলামাদলের কমিটি অনুমোদিত হয়।

​বর্তমান অবস্থান (২০২৪):
দীর্ঘ চড়াই-উতরাই পেরিয়ে ২০২৪ সালে পূর্বের কমিটি বিলুপ্ত করে সিলেট মহানগর ওলামাদলের নতুন 'আহ্বায়ক কমিটি' ঘোষণা করা হয়েছে। বর্তমানে আমি উক্ত আহ্বায়ক কমিটির সিনিয়র সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। তৃণমূল থেকে শুরু করে আজ অবধি শহীদ জিয়ার আদর্শ এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও তারুণ্যের অহংকার জনাব তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করতে রাজপথে সক্রিয় আছি। ইনশাআল্লাহ, আগামী দিনেও ওলামাদলের পতাকাতলে থেকে দেশ ও ইসলামের খেদমতে নিজেকে নিয়োজিত রাখব।

রবিবার, ১১ জানুয়ারি, ২০২৬

শাবিপ্রবি ভর্তি পরীক্ষা: সিলেটের ৫ এলাকায় সব ধরনের সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ

সিলেট: শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা নির্বিঘ্ন করতে সিলেটে কঠোর বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছে। আজ রবিবার বিকেলে সিলেট মহানগর পুলিশ কমিশনার এক গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই নিষেধাজ্ঞা নিশ্চিত করেন।

​আগামী ১৩ ও ১৪ জানুয়ারি (মঙ্গলবার ও বুধবার) সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত পরীক্ষা চলাকালীন এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে। নির্ধারিত ৫টি পরীক্ষা কেন্দ্রের ২০০ গজের মধ্যে এই আদেশ বলবৎ থাকবে:

  1. শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস
  2. আম্বরখানা গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ (আম্বরখানা হাউজিং এস্টেট)
  3. সরকারি অগ্রগামী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ (জিন্দাবাজার)
  4. শাহজালাল জামেয়া ইসলামিয়া কামিল মাদরাসা (পাঠানটুলা)
  5. শাহজালাল জামেয়া ইসলামিয়া হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ (মীরাবাজার)

গণবিজ্ঞপ্তির প্রধান বিধিনিষেধসমূহঃ

​পরীক্ষা শুরুর ১ ঘণ্টা পূর্ব থেকে শেষ হওয়ার ১ ঘণ্টা পর পর্যন্ত কেন্দ্রগুলোর আশেপাশে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো নিষিদ্ধ করা হয়েছে:

  • সমাবেশ: সব ধরনের মিছিল, সভা ও সমাবেশ।
  • শব্দ দূষণ: উচ্চস্বরে চিৎকার, গান-বাজনা, ঢাক-ঢোল, মাইক্রোফোন বা লাউড-স্পিকার ব্যবহার।
  • অস্ত্র ও বিস্ফোরক: তলোয়ার, বর্শা, বন্দুক, ছোরা, লাঠি বা যেকোনো ধরনের বিস্ফোরক বহন ও ব্যবহার।
  • অনুপ্রবেশ: পরীক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ব্যতীত বহিরাগত ও অননুমোদিত ব্যক্তির প্রবেশ।
  • সতর্কবার্তা: গণবিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এই নিষেধাজ্ঞা অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


    ​ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের যাতায়াতের সুবিধার্থে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে সবার সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।

গোয়াইনঘাটে অবৈধ বালু উত্তোলনের সময় পেলোডার চাপায় শ্রমিকের মৃত্যু



নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেটঃ-সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলায় পিয়াইন নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের সময় পেলোডার (ভেকু সদৃশ যন্ত্র) চাপায় পারভেজ আহমদ (২৭) নামে এক শ্রমিক নিহত হয়েছেন। রবিবার (১১ জানুয়ারি) ভোরে উপজেলার জাফলং ইউনিয়নের জুমপাড় এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

​ঘটনার বিবরণঃ

​নিহত পারভেজ আহমদ উপজেলার ছৈলাখেল অষ্টম খণ্ড এলাকার জামাল মিয়ার ছেলে। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, জাফলং ইউনিয়নের ফারুক আহমদের মালিকানাধীন একটি পেলোডার দিয়ে নদীসংলগ্ন এলাকায় অবৈধভাবে বালু তোলা হচ্ছিল। কাজ চলাকালীন অসাবধানতাবশত পেলোডারের চাকার নিচে চাপা পড়েন পারভেজ। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

​পুলিশের বক্তব্যঃ

​খবর পেয়ে গোয়াইনঘাট থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

গোয়াইনঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানানঃ

​"খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"


​এলাকায় উত্তেজনা

​নিষিদ্ধ থাকা সত্ত্বেও জাফলংয়ের বিভিন্ন এলাকায় ভোরে বা রাতের আঁধারে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। এই দুর্ঘটনার পর এলাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারি, ২০২৬

গোলাপগঞ্জের রাণাপিং এর ঐতিহাসিক ১৯তম তাফসীরুল কুরআন মাহফিল শুরু হচ্ছে বৃহস্পতিবার


​হাফিজুল ইসলাম লস্কর, সিলেটঃ ​সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার রাণাপিং এলাকাবাসীর উদ্যোগে আগামী বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার ( ৮ ও ৯ জানুয়ারী ২০২৬) দুই দিনব্যাপী ১৯তম বার্ষিক তাফসীরুল কুরআন মাহফিল অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ঐতিহ্যবাহী রাণাপিং শাহী ঈদগাহ ময়দানে প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত এই ধর্মীয় মহাসম্মেলন চলবে।

​দুই দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত তাফসীর ​মাহফিলে সভাপতিত্ব করবেন রাণাপিং রিয়াছতুল উলুম মহিলা মাদ্রাসার শায়খুল হাদীস আল্লামা হিলাল উদ্দীন আহমদ, রামধা মাদ্রাসার মাওলানা ইউসুফ খাদিমানী, টিকরপাড়া মাদ্রাসার শায়খুল হাদীস মাওলানা লোকমান আহমদ এবং বাঘা মাদ্রাসার শায়খুল হাদীস মাওলানা আউলীয়া হোসাইন।

​দেশবরেণ্য প্রখ্যাত মুফাসসির ও ওলামায়ে কেরাম এই দুই দিনব্যাপী তাফসীর মাহফিলে পবিত্র কোরআন ও সুন্নাহর আলোকে গুরুত্বপূর্ণ তাফসীর পেশ করবেন। প্রধান আলোচকদের মধ্যে রয়েছেন: মাওলানা ফরিদ উদ্দীন আল মোবারক (ফেনী), মুফতি রিজওয়ান রফিকী (ঢাকা), মুফতি মু'তাসিম বিল্লাহ আতিকি (ঢাকা), মুফতি শরীফ উদ্দীন কাসেমী (বড়বন্দী), মাওলানা মুফতি বশির আহমদ সৌরভী (মাধবপুরী)।

​এছাড়াও বক্তব্য রাখবেন, মাওলানা সাইদ আহমদ পাখিবিলী, মাওলানা আব্দুর রহিম কদমরসুলী, ক্বারী সাইদ আহমদ গোলাপগঞ্জী, মাওলানা আশিক উদ্দীন দাড়িপাতনী, মাওলানা মুফতি আব্দুল মান্নান উসমানী (খুলনা), মাওলানা মুফতি আতাউর রহমান বিক্রমপুরী, মুফতি শাহিদুর রহমান মাহমুদাবাদীসহ আরও অনেক দেশবরেণ্য উলামায়ে কেরাম।

মাহফিল আয়োজক কমিটি তথা রাণাপিং এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাহফিলের প্যান্ডেল ও আলোকসজ্জাসহ সকল প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে। ১৯ বছরের ধারাবাহিকতায় আয়োজিত ধর্মীয় এই মহাসম্মেলনে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের দলে দলে যোগ দিয়ে দুনিয়া ও আখিরাতের পাথেয় সংগ্রহের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

রবিবার, ৪ জানুয়ারি, ২০২৬

কালাকোনার উজ্জ্বল রবি ​- হাফিজুল ইসলাম লস্কর


​সিলেটের বাঘা জনপদে শোকের ছায়া আজ,
বিদায় নিলেন দ্বীনের খাদেম, ফেলে জগৎ কাজ।
কালাকোনার উজ্জ্বল রবি— মাহতাব উদ্দিন নাম,
স্মৃতিতে তাঁর অম্লান রবে ভক্তি ও সালাম।

​মাদ্রাসার ঐ আঙিনাতেই কাটলো শেষ প্রহর,
শূরার কাজে বিলিয়ে দিলেন প্রাণের সকল স্বর।
হঠাৎ যখন ডাক পাঠালেন রব্বুল আলামীনের,
মুমিন বেশে পাড়ি দিলেন পথ সে চিরদিনের।

নিজের মুখে পড়লেন তিনি কালিমা শাহাদাত,
রাসুলের প্রেমে সিক্ত হলো অমূল্য সেই রাত।
"লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ" - র পবিত্র জিকিরে,
মুসাফিরখানা ছেড়ে তিনি গেলেন আপন ঘরে।

​রানাপিং-এর কৃতি সন্তান, ফুজালাদের গর্ব,
হাসিমাখা সেই বিনয়ী মুখ— হারালো আজ সর্ব।
বড়ই প্রিয় মানুষ ছিলেন, বাঘা পরগনার প্রাণ,
দ্বীনি শিক্ষায় রেখে গেলেন অতুলনীয় অবদান।

​অঝোর ধারায় সিক্ত হলো কালাকোনার মাঠ,
জানাজা শেষে সাঙ্গ হলো পার্থিব এই পাঠ।
রেখে গেলেন চার কন্যা, এক রত্ন ছেলে,
প্রভু যেন স্নিগ্ধ রাখেন রহমতের ঐ জলে।

​ক্ষমা করো হে প্রভু, তাঁর মানবিক সব ত্রুটি,
খুলে দাও আজ জান্নাতেরই নূরের রঙিন মুঠি।
হৃদয়ে মোদের বেঁচে রবেন অমলিন এক স্মৃতি,
যুগান্তরের তরে রবে তাঁর সহজ-সরল প্রীতি।

শনিবার, ৩ জানুয়ারি, ২০২৬

বাঘা মাদ্রাসাতুল বানাতের মজলিসে শূরার সদস্য মাওলানা মাহতাব উদ্দিন আর নেই

নিজস্ব প্রতিবেদক | ৩ জানুয়ারি, ২০২৬

​সিলেটের বাঘা কালাকোনা নিবাসী বিশিষ্ট আলেম এবং দ্বীনি শিক্ষা অনুরাগী হযরত মাওলানা মাহতাব উদ্দিন (রহ.) ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মৃত্যু ও শেষ মুহূর্ত:

আজ ৩ জানুয়ারি, ২০২৬ (শনিবার) বিকেলে তিনি বাঘা-গৌরাবাড়িস্থ দারুল হাদিস মাদ্রাসাতুল বানাত আল-ইসলামিয়া (মহিলা মাদ্রাসা) প্রাঙ্গণে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। জানা গেছে, মাদ্রাসার মজলিসে শূরার গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শেষে মাদ্রাসার অফিসেই অবস্থান করছিলেন তিনি। বিকাল ৩টা ১৫ মিনিটের দিকে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়।

পরিচয়:

মরহুম মাওলানা মাহতাব উদ্দিন (রহ.) উক্ত মাদ্রাসার মজলিসে শূরা ও আমেলা (অডিট কমিটি)-র একজন নিবেদিতপ্রাণ সদস্য ছিলেন। দ্বীনি শিক্ষার প্রসারে এবং মাদ্রাসার শৃঙ্খলা রক্ষায় তাঁর বিশেষ অবদান রয়েছে।

জানাযার নামাজ:

মরহুমের জানাযার নামাজ আগামীকাল ৪ জানুয়ারি (রবিবার) বাদ যোহর কালাকোনা ঈদগাহ মাঠে অনুষ্ঠিত হবে। জানাযা শেষে স্থানীয় কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হবে।

শোক ও দোয়া:

মরহুমের মৃত্যুতে স্থানীয় আলেম সমাজ এবং মাদ্রাসার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পরিবারের পক্ষ থেকে আত্মীয়-স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের জানাযায় উপস্থিত থাকার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

​আল্লাহ তায়ালা মরহুমের সকল নেক আমল কবুল করুন এবং তাঁর সকল ভুলক্রটি ক্ষমা করে জান্নাতের সুউচ্চ মাকাম দান করুন। আমিন।