রবিবার, ৪ জানুয়ারি, ২০২৬

কালাকোনার উজ্জ্বল রবি ​- হাফিজুল ইসলাম লস্কর


​সিলেটের বাঘা জনপদে শোকের ছায়া আজ,
বিদায় নিলেন দ্বীনের খাদেম, ফেলে জগৎ কাজ।
কালাকোনার উজ্জ্বল রবি— মাহতাব উদ্দিন নাম,
স্মৃতিতে তাঁর অম্লান রবে ভক্তি ও সালাম।

​মাদ্রাসার ঐ আঙিনাতেই কাটলো শেষ প্রহর,
শূরার কাজে বিলিয়ে দিলেন প্রাণের সকল স্বর।
হঠাৎ যখন ডাক পাঠালেন রব্বুল আলামীনের,
মুমিন বেশে পাড়ি দিলেন পথ সে চিরদিনের।

নিজের মুখে পড়লেন তিনি কালিমা শাহাদাত,
রাসুলের প্রেমে সিক্ত হলো অমূল্য সেই রাত।
"লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ" - র পবিত্র জিকিরে,
মুসাফিরখানা ছেড়ে তিনি গেলেন আপন ঘরে।

​রানাপিং-এর কৃতি সন্তান, ফুজালাদের গর্ব,
হাসিমাখা সেই বিনয়ী মুখ— হারালো আজ সর্ব।
বড়ই প্রিয় মানুষ ছিলেন, বাঘা পরগনার প্রাণ,
দ্বীনি শিক্ষায় রেখে গেলেন অতুলনীয় অবদান।

​অঝোর ধারায় সিক্ত হলো কালাকোনার মাঠ,
জানাজা শেষে সাঙ্গ হলো পার্থিব এই পাঠ।
রেখে গেলেন চার কন্যা, এক রত্ন ছেলে,
প্রভু যেন স্নিগ্ধ রাখেন রহমতের ঐ জলে।

​ক্ষমা করো হে প্রভু, তাঁর মানবিক সব ত্রুটি,
খুলে দাও আজ জান্নাতেরই নূরের রঙিন মুঠি।
হৃদয়ে মোদের বেঁচে রবেন অমলিন এক স্মৃতি,
যুগান্তরের তরে রবে তাঁর সহজ-সরল প্রীতি।

শনিবার, ৩ জানুয়ারি, ২০২৬

বাঘা মাদ্রাসাতুল বানাতের মজলিসে শূরার সদস্য মাওলানা মাহতাব উদ্দিন আর নেই

নিজস্ব প্রতিবেদক | ৩ জানুয়ারি, ২০২৬

​সিলেটের বাঘা কালাকোনা নিবাসী বিশিষ্ট আলেম এবং দ্বীনি শিক্ষা অনুরাগী হযরত মাওলানা মাহতাব উদ্দিন (রহ.) ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মৃত্যু ও শেষ মুহূর্ত:

আজ ৩ জানুয়ারি, ২০২৬ (শনিবার) বিকেলে তিনি বাঘা-গৌরাবাড়িস্থ দারুল হাদিস মাদ্রাসাতুল বানাত আল-ইসলামিয়া (মহিলা মাদ্রাসা) প্রাঙ্গণে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। জানা গেছে, মাদ্রাসার মজলিসে শূরার গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শেষে মাদ্রাসার অফিসেই অবস্থান করছিলেন তিনি। বিকাল ৩টা ১৫ মিনিটের দিকে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়।

পরিচয়:

মরহুম মাওলানা মাহতাব উদ্দিন (রহ.) উক্ত মাদ্রাসার মজলিসে শূরা ও আমেলা (অডিট কমিটি)-র একজন নিবেদিতপ্রাণ সদস্য ছিলেন। দ্বীনি শিক্ষার প্রসারে এবং মাদ্রাসার শৃঙ্খলা রক্ষায় তাঁর বিশেষ অবদান রয়েছে।

জানাযার নামাজ:

মরহুমের জানাযার নামাজ আগামীকাল ৪ জানুয়ারি (রবিবার) বাদ যোহর কালাকোনা ঈদগাহ মাঠে অনুষ্ঠিত হবে। জানাযা শেষে স্থানীয় কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হবে।

শোক ও দোয়া:

মরহুমের মৃত্যুতে স্থানীয় আলেম সমাজ এবং মাদ্রাসার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পরিবারের পক্ষ থেকে আত্মীয়-স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের জানাযায় উপস্থিত থাকার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

​আল্লাহ তায়ালা মরহুমের সকল নেক আমল কবুল করুন এবং তাঁর সকল ভুলক্রটি ক্ষমা করে জান্নাতের সুউচ্চ মাকাম দান করুন। আমিন।

বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫

ঊনত্রিশের উপাখ্যান - হাফিজুল ইসলাম লস্কর



​সিলেটের শ্যামল ঘাসে, ভেষজ সুবাসে ঘেরা,
ইউনানী আর আয়ুর্বেদে—তারাই সবার সেরা।
আলোকিত এক কাফেলা চলে, সেবার শপথ নিয়ে,
মানবতার জয়গান গায়, আপন হৃদয় দিয়ে।

​সেশন তাদের বিশ-একুশ, সংখ্যায় উনত্রিশ জন,
হাজারো চাওয়া-পাওয়া মিশে, এক হয়েছে মন।
ভিন্ন অবয়ব, আলাদা কায়া, তাতে কী-ই বা আসে?
মমতার এক ছায়াতলে, একে অন্যকে ভালোবাসে।

​বিরামহীন তাদের পথচলা, জ্ঞানের আলোকশিখায়,
নিজেদের সঁপেছে তারা, আর্তমানবতার সেবায়।
একই দেহে এক প্রাণ যেন, লক্ষ্য তাদের স্থির—
সেবার ব্রতে জাগিয়ে তোলে, তিব্বিয়া-র ঐ শির।

​একই সুরে বাঁধা হৃৎস্পন্দন, একই লক্ষ্যে চলা,
কর্মে তাদের ফুটে ওঠে, আগামীর কথা বলা।
উনত্রিশ জন মিলে আঁকে, নতুন এক ইতিহাস,
একতার এই বন্ধন হোক, চির অমলিন বিশ্বাস।

রচনাকালঃ ২১/১১/২০২৫
সময়ঃ রাত- ২-৩০ মিনিট

মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৫

দেশনেত্রী ​— হাফিজুল ইসলাম লস্কর



​বাংলার চোখে অশ্রু সজল,
মহাকাব্যের এই প্রস্থানে,
বেগম জিয়া আমরণ অম্লান,
আপসহীন রণাঙ্গনে।

​স্বৈরাচারের দমন-পীড়নে
লৌহ-কপাটে উন্নত শির,
গণতান্ত্রিক প্রজন্মের অগ্নি-জননী
জাগ্রত এক মহীয়সী বীর।

​সার্বভৌমত্বের অতন্দ্র প্রহরী
অদম্য, আপোষহীন এক নারী,
বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবাদ মানবী
নেত্রী মোদের ধ্রুব-কাণ্ডারী।

​প্রতিকূলতার ঝড়েও অটল
বিজয় নিশান উড়ায় অবিরাম,
তিনিই শিখিয়েছেন ভয়কে জিততে
আপস নয়, কেবলই সংগ্রাম।


​রচনাকাল: ৩০/১২/২০২৫
সময়: ১০:১৮ মিনিট

সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০২৫

পরলোকে ভালো থেকো প্রিয় মামা...


আমার প্রিয় মামা আলহাজ্ব আব্দুল আহাদ (কটই মিয়া) আজ থেকে ৩ বছর আগে ২০২২ সালের নভেম্বর মাসের ৩০ তারিখ বুধবার দুপুর ১-২২ মিনিটে "মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের" ডাকে সারা দিয়ে ইহলোকের মায়া ত্যাগ করে পরলোকে গন্তব্যে পাড়ি দিয়েছেন। অর্থাৎ ইন্তেকার করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন ( إِنَّا لِلَّٰهِ وَإِنَّا إِلَيْهِ رَاجِعُونَ‎‎‎)।

সদা বিনয়ী, কর্মনিষ্ঠ ও স্পষ্টবাদি আমার মামা অনেকটা নিরবে নিভৃতে চলে গেলেন আমাদের ছেড়ে, ইহজগৎ ছেড়ে পরলোকে। মামা আমার মায়ের দুনিয়ার একমাত্র অভিভাবক ছিলেন। ছিলেন আমার বাবার একনিষ্ট সমর্থক। আমার বাবার সাথে ছিলো তাহার অন্তরের ভাব। বাবার ইন্তেকালের দুই বছর অতিবাহিত হতে না হতেই মামা চলে গেলেন আমাদের ছেড়ে। মামার চলে যাওয়া আমাদের মনে এক গভীর শুন্যতা তৈরী করেছে। যা কোন লেখনির মাধ্যমে প্রকাশ করা সম্ভব নয়। শুধু আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি যেন , আল্লাহ আমার মামাকে ভালো রেখো। এবং আপনার প্রিয় বান্দা হিসেবে কবুল করো।


বস্তুবাদী পৃথিবী মৃত্যুকে সবসময় ভুলিয়ে রাখতে চায়। মৃত্যুর ভাবনাটাকে তারা আসতেই দিতে চায় না। ভাবনা মনে না থাকলেও মৃত্যু ঠিকই আসবে। এরপর.. অবশেষে… সব স্বপ্ন ভেঙে, সব মায়া ত্যাগ করে, একদিন হঠাৎ করেই চলে যেতে হবে পৃথিবী ছেড়ে… হয়ত অপ্রস্তুতভাবেই…


আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আমার মামার কবরের আযাব মাফ করে দিন, তাহার কবরকে জান্নাতের বাগান বানিয়ে দিন। মামাকে জান্নাতে ফেরদাউসের সর্বোচ্চ মাকাম দান করুন (আমিন)। আর আমাদের সকলকে মৃত্যুর ভাবনা সর্বদা মনে লালন করে সচেতন হয়ে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষ্যে সহজ সরল জীবন যাপন করার তাওফীক দান করুন। (আমীন)।




লেখক,
হাফিজুল ইসলাম লস্কর
স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদকঃ বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক সোসাইটি।
স্থায়ী সদস্যঃ বাংলাদেশ রিপোর্টার্স ক্লাব,
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ সময়ের আলাপ,
সম্পাদকঃ সাপ্তাহিক ইউনানী কন্ঠ।

রবিবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৫

বীর শার্দূল - হাফিজুল ইসলাম লস্কর

-
জিয়া তুমি ইতিহাস স্বাধীনতার কাব্য
বাংলায় বিজয়ের পয়গাম,
মুক্তিযুদ্ধের মহান অপরাজিত রাহবার
তোমায় জানাই সালাম।

রণাঙ্গনের অকুতোভয় বীর সেনানী
জিয়াউর রহমান বীর শার্দূল,
দিকভ্রান্ত বাঙালীর মুক্তির প্রেরণায়
তুমি'ই বিজয়ের দিকপাল।

কালুরঘাটে স্বাধীনতার দীপ্ত ঘোষণায়
স্বাধীনতার মহান ঘোষক,
মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার
জেড ফোর্সের অধিনায়ক।

স্বাধীন বাংলাদেশের প্রতিটি ইঞ্চিতে
মিশে আছে বীরত্বের ঘ্রাণ,
দেশপ্রেমের মহান ত্যাগে অমর জিয়া
লিখিলেন মুক্তির জয়গান।

জুলুমের বিরুদ্ধে একাত্তরের রণাঙ্গনে
তুমি লড়াকু আদর্শ সৈনিক,
দেশের চরম ক্রান্তিলগ্নে দেশ গঠনে
মেহনতী শ্রমিক দৈনিক।

সারা বাংলাদেশ একটি পূর্ণাঙ্গ সত্ত্বা
জিয়াউর রহমান তার প্রাণ,
হাজার বছরের ইতিহাসের বন্দনায়
অমলিন কীর্তিতে অম্লান।
.
প্রকাশকাল-২০/০৫/২৪

বীর শার্দূল - হাফিজুল ইসলাম লস্কর


জিয়া তুমি ইতিহাস স্বাধীনতার কাব্য
বাংলার বিজয়ের পয়গাম,
মুক্তিযুদ্ধের মহান অপরাজিত রাহবার
তোমায় জানাই সালাম।

রণাঙ্গনের অকুতোভয় বীর সেনানী
জিয়াউর রহমান বীর শার্দূল,
দিকভ্রান্ত বাঙালীর মুক্তির প্রেরণায়
তুমি'ই বিজয়ের দিকপাল।

কালুরঘাটে স্বাধীনতার দীপ্ত ঘোষণায়
স্বাধীনতার মহান ঘোষক,
মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার
জেড ফোর্সের অধিনায়ক।

স্বাধীন বাংলাদেশের প্রতিটি ইঞ্চিতে
মিশে আছে বীরত্বের ঘ্রাণ,
দেশপ্রেমের মহান ত্যাগে অমর জিয়া
লিখিলেন মুক্তির জয়গান।

জুলুমের বিরুদ্ধে একাত্তরের রণাঙ্গনে
তুমি লড়াকু আদর্শ সৈনিক,
দেশের চরম ক্রান্তিলগ্নে দেশ গঠনে
মেহনতী শ্রমিক দৈনিক।

সারা বাংলাদেশ একটি পূর্ণাঙ্গ সত্ত্বা
জিয়াউর রহমান তার প্রাণ,
হাজার বছরের ইতিহাসের বন্দনায়
অমলিন কীর্তিতে অম্লান।